Yasmen Hossain Blog www.yasmenhossainblog.com
Article লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
Article লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

গুয়াংজুঁর ক্যান্টন নগরী

 


[গুয়াংজুঁর ক্যান্টন টাওয়ার চীনের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। লাগোয়া আছে নদী। দুইয়ে মিলে রোমাঞ্চকর জগৎ। রয়েছে সারাদিন ধরে দেখার মত মনোমুগ্ধকর স্থাপনা। সন্ধ্যেয় দেখা মেলে কল্পনাতীত স্বর্গীয় দৃশ্য। অনেক রাত অবধি থাকে মানুষের জমজমাট কোলাহল।

দিনের আলো কাটতেই হরেক রকম আলোকমালায় দৃশ্যমান হতে থাকে সুবৃহৎ টাওয়ার। ধীর লয়ে চলে যায় নাচের জগতে। রঙের নহর ছড়াতে থাকে চারদিক। প্রকৃতি জুড়ে দিতে থাকে ঝলকানি। টাওয়ারের রঙ বদলাতে থাকে। চারদিকের বিশাল বিশাল অট্টালিকাগুলোও ঘটাতে থাকে বাহারি রঙের বিচ্ছুরণ। আলোক রশ্মির ছড়াছড়ি চলতে থাকে অবিরাম। সব মিলিয়ে এলাকাটি হয়ে ওঠে বর্ণিল। এরসঙ্গে যুক্ত থাকে প্রাণ জুড়ানো চীনা মিউজিক। ফাঁকা এলাকা বলে বয়ে যায় প্রবল বেগের স্নিগ্ধ বাতাস। জায়গাটি এভাবেই পরিণত হয় স্বপ্নিল ভূস্বর্গে। বেড়াতে বা ভ্রমণ করতে আসা শত-সহস্র্র নারী-পুরুষ-শিশু-বৃদ্ধ এর মধ্যদিয়ে চলে যান আকাশে ভেসে চলার মত অন্য এক জগতে, যেখানে শুধুই আনন্দ আর আনন্দ।

ঠিক এরকম দৃশ্যের ভেতর আরেক দৃশ্য হয়ে ওঠে বয়ে চলা নদী। এর ঢেউ খেলানো পানিকে তখন আর পানি মনে হয় না, মনে হয় যেন হাজারো রঙের উত্তাল নৃত্য। লাল, নীল, হলুদ, সাদা, কালো, সবুজসহ অসংখ্য রঙের খেলায় মেতে ওঠে নদী। তার ভেতর দিয়ে চলাচল করে আলোকমালায় সজ্জিত স্টিমার আর নৌকা। এই স্বপ্নজগৎ ভ্রমণ নিয়েই প্রতিবেদন।]

গুয়াংজুঁর ক্যান্টন নগরী

নদী-টাওয়ারের স্বপ্নজগৎ










ইয়াসমিন হোসেন

সময়টা ছিল দুপুর। মাত্র মাস আগের কথা। গুয়াংজুঁর সানিয়ানলি। হোটেল থেকে মেট্রো স্টেশন। তারপর ট্রেন যাত্রা। কয়েক দফা লাইন পাল্টানো, তারপর শেষ মেট্রো। এই মেট্রো নামিয়ে দিয়েছিল ক্যান্টন টাওয়ারের নিচে মাটির তলায়। তারপর সেখান থেকে চলন্ত সিঁড়ি দিয়ে ওপরে ওঠা। সঙ্গে সঙ্গে দৃশ্যমান হয়ে ওঠে সুবিশাল ভবন। ভবনের ছাদেই দানবতুল্য টাওয়ার।

যে ভবন দিয়ে এগুচ্ছিলাম, সেটা অত্যাধুনিক শপিং মল। অসংখ্য স্টল আর ঝলমলে আলো চারপাশটাকে রঙ্গমঞ্চ বানিয়ে রেখেছিল। নানা অঙ্কন চিত্রে সাজানো ছাদ এবং দেওয়ালগুলোর লাউডস্পিকার থেকে ভেসে আসছিল চাইনিজ মিউজিক। দুপুর বেলায়ই নেমে এসেছিল রঙিন রাত। কারণ বাইরের আলো প্রবেশের সুযোগ ছিল না।

খানিকটা পথ পেরিয়ে গেলেই বেরুনোর পথ। সেই পথ পার হলেই ভিন্ন জগৎ। অকস্মাৎ উজ্জ্বল ঝকঝকে দিন। চারপাশ জুড়ে রং বে রংয়ের ভবন। আরও খানিকটা হাঁটা। তারপর চোখের সামনে ভেসে ওঠে গুয়াংজুঁর বিখ্যাত ক্যান্টন টাওয়ার। এতোটাই উঁচু যে, মাথাকে পেছন দিকে পুরো ৯০ ডিগ্রি নামিয়ে ফেলতে হয়। দিনের বেলায় টাওয়ারকে সূর্য্যরে আলোয় অন্যরকম দেখায়। সাদা-হলুদ এবং খয়েরি রংয়ের দানব একেবারে আকাশমুখি। ভবনের ছাদে এর দাঁড়িয়ে থাকা। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়। সেখানেও আছে নানান আকর্ষণীয় স্থাপনা। ছাদটা নেহায়েত ছোটখাটো নয়। বড় কোন স্টেডিয়ামের সমান। যেখানে আছে সময় কাটানোর সবরকম সুযোগ এবং সুবিধা। আছে বসার জায়গা, রেলিংয়ে দাঁড়িয়ে দূরের দৃশ্য ধারণের ব্যবস্থা। আছে রেস্টুরেন্ট আর অ্যাকুরিয়ামের মত পানির পুকুরে জলকেলির আয়োজন। ঠিক একই রকম ব্যবস্থা আছে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকা টাওয়ারের শরীর জুড়ে। একতলা, দোতলা, তিনতলা- এভাবে আছে অনেকগুলো তলা।


ক্যান্টন টাওয়াটা আসলে একটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। একইসঙ্গে টেলিভিশন টাওয়ারও। অ্যান্টেনাসহ এর উচ্চতা ৬শ মিটার বা ১৯৬৮ ফুট। স্থায়ী কাঠামো দাঁড়িয়ে ৪৫০ মিটার জুড়ে। ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এটি ছিল বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার। টাওয়ারের বিভিন্ন অংশ বা তলায় রয়েছে কফিশপ, রেস্তোরা, পর্যবেক্ষণ ডেস্ক, থ্রিল রাইডসহ অনেককিছু। পর্যটকদের সব চাহিদাকেই পূরণ করে ক্যান্টন টাওয়ার।

ভ্রমণের সময়টা ছিল গরম কাল। শীত তখনও আসেনি। টাওয়ার চত্তরে তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দক্ষিণা ঝড়ের মত একটানা বয়ে যাওয়া মধুর বাতাস ছিল গোটা এলাকা জুড়ে। লাগোয়া অসাধারণ নদী। বৈচিত্রের আরেকটা রূপ। একেবারে স্বচ্ছ নদীতে ঢেউয়ের উল্লম্ফন। ঝড়ো বাতাসের সঙ্গে পানির নাচন অভিভূত করে রাখে। তার মধ্যেই ছোট বড় রঙিন নৌকা এবং স্টিমারের আনাগোনা। অনেক পর্যটকই এসব নৌকা-স্টিমারে চড়ে ভ্রমণের ষোলকলা পূর্ণ করছিলেন।


নদী দর্শন আর স্মৃতি ধারণের জন্য বীচের মত দুই পাড়ে আছে চমৎকার রেলিং। তাতে হেলান দিয়ে অপার সৌন্দর্য শুধু দুচোখ ভরে চারদিকটা দেখাই শুধু যায় না
ক্যামেরায়ও ধারণ করা যায়। 
নদীটা অনেক কিছু ভাবায়মনকে জন্মভূমির ঠিকানায় নিয়ে যায়।

নদী আর টাওয়ারকে ভাল করে দেখার জন্য আছে চমৎকার ব্যবস্থা। আছে নদীর উপর 'হাইজিং নামের একটা অসাধারণ ব্রিজযাকে মনে হয় একেবারে স্বর্গের দোলনা। এমন সব ধাতুতে ব্রিজটি করাযা আগে কখনই দেখিনি।

 ব্রিজ জুড়ে বসার ব্যবস্থাসময় কাটনোর বন্দোবস্তচোখ ধাঁধানো রঙিন ফুলের সমাহারলাইটিংমিউজিক সবমিলিয়ে সন্ধ্যের পর জায়গাটা রূপ নেয় কল্পনার স্বর্গে।সব ঝকঝকে তকতকে।কোথাও একফোটা নোংরা নেই।

নানা বয়সী তরুণ-তরুণি-কিশোর-কিশোরি-বয়স্ক মানুষ আনন্দে আত্মহারা হয়ে এর উপর ঘুরছিলেন।ছবি ধারণ করছিলেন।রাতটা সত্যিই স্বপ্নিল, রঙিন আর স্বপ্ন তুল্য হয়েছিল। এতে সায় মেলাতে ক্যান্টন টাওয়ার দিগন্ত জুড়ে ঘটাচ্ছিল আলোর বিচ্ছুরণ। ব্রিজটি যেন ভাসছিল স্বর্গ হয়ে। আর নদী ছড়াচ্ছিল আরেক রূপ। সার্থক জনম এই স্বপ্ন জগতে।





রবিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৪

মালদ্বীপে যা দেখলাম

 










মালদ্বীপে যা দেখলাম 
- ইয়াসমিন হোসেন 
সবকিছু ছবির মতো। সু-শৃঙ্খল। মানুষজনের চলাফেরা ছন্দপতনহীন। গাড়িগুলো চলে ধীরে-সুস্তে, একাগ্র চিত্তে। কোন বেপরোয়াপনা নেই। দোকানপাট, অফিস-প্রতিষ্ঠান যেন এক-একটি আইকন। নির্ঝঞ্জাট আর ঝকঝকে-তকতকে। এগুলোর কাঁচের দেওয়ালগুলো এতোটাই স্বচ্ছ যে তার অস্তিত্ব আছে কি নেই- বোঝা কঠিন। পণ্যের সঙ্গে দাম লেখা আছে (সে ফল-মূল, আলু, তরকারি যাই-ই হোক না কেন), কোন দামাদামির কারবার নেই। দাম দিয়ে কিনে নিতে হবে। রাস্তাঘাট খুবই পরিচ্ছন্ন। ময়লা নেই। পুরো মসৃন আর দীপ্তিময়। দূরে দূরে জেব্রাক্রসিং। সেখান দিয়েই মানুষ রাস্তা পারাপার হন। অন্য কোথা দিয়ে কেউ পারাপারের চেষ্টাও করেন না। ফুটপাত থেকে জেব্রাক্রসিংয়ে পা রাখার সঙ্গে থেমে দাঁড়ায় আসা-যাওয়ার গাড়ি। ক্রসিং পেরিয়ে আরেক পাশের ফুটপাতে পা না দেওয়া পর্যন্ত এগুলো ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে। নজরদারির জন্য কোথাও ট্রাফিক নেই। পুলিশও নেই। তাঁদের দরকারই হয় না। কারণ নিয়ম শৃঙ্খলাগুলো সবাই নিজে থেকেই মেনে চলেন। এটা তাঁদের মগজে ধারণ করা। আবার, মূলবান জিনিসপত্রে ভর্তি কাঁচের দোকানগুলো রাতের বেলা বন্ধ থাকে ছোট্ট একটা তালায়, ঠিক টিপতালার মতো। কোথাও কোন পাহারা থাকে না। তারপরেও কোন চুরি তো হয়ই না, সামান্য অঘটনও ঘটে না। দেশটিতে নাকি চোরই নেই। এটা এমন একটা দেশ- যেখানে কেউ অন্যায় করে না, দুর্নীতি করে না। কেই কাউকে ঠকায় না, প্রতারণা করে না, খাদ্যে ভেজালও দেয় না। কেউ মিথ্যা বা শঠতার আশ্রয় নেয় না (সমুদ্রের বোট ভাড়ার সময় দাম-দরটা করে ফয়সালা করে নেয়)। কারও কোন ক্ষতি বা কষ্ট হয়- এমন কোন কাজ তাঁরা করেন না। কারণ এখানে মানুষের অভাব নেই। সবমিলে তাই দ্বীপটা জলজ্যান্ত বেহেস্ত! এই হলো মালদ্বীপ। মুসলিম দেশ। এ কারণে দিনের বেলা নামাজের সময় দোকানপাট ওই সময়টুকুর জন্য ছোট্ট টিপ তালা দিয়ে বন্ধ রাখা হয়। কাঁচের ভেতর লেখা থাকে ক্লোজড। তবে অন্য সবকিছু খোলা বা স্বাভাবিক থাকে। এখানে মেয়েরা বোরখা পড়ে না। পড়ে শুধু কালো হিজাব, জিন্স প্যান্ট আর কালো বা নীল গেঞ্জি। এই পোশাকেই তারা সব কাজ করেন। মটর বাইক চালানো থেকে কর্মস্থলে কাজ করা- সবই। এখানে মটর বাইক চালানোয় নারী-পুরুষ সমানে সমান। বাইকগুলো চলে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে, নিয়ম মেনে। আমাদের দেশের মত এখানে বেপরোয়া চালানোর মত বাইকও ব্যবহার হয় না। সবাই ব্যবহার করেন ভ্যাসপা জাতীয় বাইক। দেশটিতে নারী-পুরুষ সবাই কাজ করেন। কোন বেকারত্ব নেই। দোকানদারী, শ্রমিকের কাজ থেকে তাবৎ কিছু নারী-পুরুষরা নির্বিঘেœ করেন। মুসলিম দেশ হলেও এখানে কোন ধর্মান্ধতা বা কুসংস্কার নেই। জীবনযাত্রা চলে উন্নত বিশ্বের ধাঁচে। এখানে সবকিছুর দাম আকাশচুম্বি। বাড়ি-ঘর-দোকান-পাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও আধুনিক, উন্নত বিশ্বের মত। সবার আয়-রোজগারও উঁচু মানের। শুধুমাত্র পর্যটন ব্যবসা আর মাছ বিক্রি করে এতো উন্নত অবস্থা। ভাবলে সত্যিই অবাক হতে হয়! পুরো দেশটি ডিজিটালাইজড। ঠিক সিঙ্গাপুরের মত। গেলবার সিঙ্গাপুর ভ্রমণে গিয়ে যেমনটা দেখেছিলাম, এখানকার সবকিছু তেমনই সু-শৃঙ্খল ছকে বাধা। কার্যত কিন্তু আহামরি বিত্ত্বশালী দেশ নয় মালদ্বীপ। এটা এই কারণে যে, তাদের নিজস্ব কোন উৎপাদন নেই। পর্যটন ব্যবসা আর সমূদ্রের মাছ বিক্রি ছাড়া আয়ের কোন উৎস নেই। জমি নেই, ফসল নেই। তাই জীবন-যাপনের তাবৎ কিছু অন্য দেশ থেকে কিনে আনতে হয়। এমনকি পানি পর্যন্ত আমদানি করে খেতে হয়। পর্যটন ব্যবসা না থাকলে এদেশের অস্তিত্বই থাকার কথা নয়। দেশটির সম্পদ সমুদ্র। এই সম্পদকেই কাজে লাগিয়েছে মালদ্বীপ। সমুদ্রকে ব্যাপক আয়ের উপযোগী করে তোলা হয়েছে। অর্থাৎ সমুদ্রকে বিদেশিদের বেড়ানোর উপযোগী করে সাজানো হয়েছে। যে কারণেই না, বিদেশে থেকে পর্যটকরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন এই দেশটিতে। আর তাদের বদৌলতে দিব্বি গোটা দেশ রাজারহালে চলতে পারছে। দেশটির চারদিকে শুধুই সমূদ্র। তার মাঝে ছোট্ট ছোট্ট দ্বীপ। এরকম দ্বীপ সংখ্যা এক হাজার তিনশ মত। দ্বীপমালার দেশ বলেই নাম হয়েছে মালদ্বীপ, মানে- দ্বীপের মালা। হাতে গোনা কতগুলো দ্বীপে জনবসতি রয়েছে। অনেকগুলো এখনও বসবাসের অনুপোযোগী। বাসযোগ্য দ্বীপের ভেতর আবার বেশিরভাগই শুধুমাত্র পর্যটকদের বেড়ানোর জন্য সাজানো। শহর দ্বীপ বলতে রাজধানী মালে, আর তার পাশেই হুলুমালে। যতটুটু জেনেছি, এই দুটোই মূলত শহুরে ব্যবস্থাপনায় গড়ে তোলা। মালদ্বীপ থেকে শিক্ষা এটিই যে, ওরা একেবারে স্বল্প জনবল দিয়ে এবং একটা-দুইটা সম্পদ দিয়েই রাজকীয়। এই সম্পদে দেশ চলে, রাষ্ট্র চলে। কিন্তু আমরা বা আমাদের দেশ বিশাল জনবল আর অফুরন্ত সম্পদের অধিকারী হয়েও অনেক অনেক পিছিয়ে। সব থাকতেও আমরা আহামরি কিছু করতে পারিনি। ধারণা এটাই মিলেছে যে, ওরা পেরেছে, কারণ ওরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার তাগিদ অনুভব করেছে, এবং তারজন্য ভেবেছে ও কাজ করেছে। তাই ওরা সফল। আমরা ভাবিও না, করিও না। সমুদ্র, নদ-নদী, খাল-বিল কী না আছে আমাদের! কিন্তু সব ভাবনা-চিন্তার অভাবে মরে আছে। আমাদের সব জনবল তাই বোঝা। এ থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আজ কিন্তু জরুরিভাবে ভাবা দরকার।

গুয়াংজুঁর ক্যান্টন নগরী

  [ গুয়াংজুঁর ক্যান্টন টাওয়ার চীনের অন্যতম দর্শনীয় স্থান। লাগোয়া আছে নদী। দুইয়ে মিলে রোমাঞ্চকর জগৎ। রয়েছে সারাদিন ধরে দেখার...